অনলাইন থেকে আয়ের প্রধান প্রধান উৎস গুলো কি কি


Alt text


অনলাইন থেকে আয়ের প্রধান প্রধান উৎস গুলো কি কি

সাধারণত অনলাইনের মাধ্যমে ইনকাম করার যে উৎস গুলো রয়েছে সেগুলোর মধ্যে ফ্রিল্যান্সিং, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, Influencer Marketing, অনলাইন শপ, ড্রপ শিপিং, E-commerce Business, Etsy, গেজেট রিভিউ, ব্লগিং, ইউটিউবিং, কন্টেন্ট ক্রিয়েটিং ইত্যাদির নাম গুলো সবার আগে মুখের সামনে ভেসে আসে।

আরো পড়ুন:

  • Tasktopnetwork দ্বারা ছোট ছোট কাজ করে ইনকাম
  • ফ্রিতে গেম খেলে টাকা ইনকামের Apps
  • ঘরে বসে 2Captcha Site থেকে হাজার হাজার ডলার ইনকাম
  • ৫ টি ইনকাম সাইট দ্বারা সহজেই টাকা ইনকাম করে নিন
  • ৭ টি জনপ্রিয় সার্ভে সাইট দ্বারা প্রতিদিন আয় করুন
  •  বড় বড় অনলাইন ইনকামার গণ তাদের শ্রমশক্তি ও দক্ষতা দিয়ে প্রতিদিন উপার্জন করে আসছেন। ইনকামের জন্য শুধু মাত্র যে কোন একটি ক্যাটাগরি দরকার। আর তাতেই সারাজীবন আয় করে পরিবার, তথা দেশের উন্নতি বয়ে আসবে তাতে সন্দেহ নেই।

    এভাবে আয়ের মাধ্যমে যে সাইট গুলোর উপর আপনি আমি সবাই নির্ভর করতে পারি; সেগুলোর নাম তালিকা দিয়ে ধাপে ধাপে সুন্দর ভাবে বর্ণনা করা হলো:

    1. Fiverr
    2. Upwork
    3. Freelancer
    4. Influencer Marketing
    5. অনলাইন শপ/ ড্রপ শিপিং/ E-commerce Business
    6. Etsy
    7. Affiliate Marketing
    8. ব্লগিং ও কনটেন্ট ক্রিয়েশন
    9. ইউটিউব (YouTube) চ্যানেল
    10. মাইক্রোজব (Microjob)
    11. সিপিএ (CPA) মার্কেটিং
    12. Stock Photography and Video
    13. কোডিং

    1.Fiverr (ফাইভার) এর মাধ্যমে আয়:

    Fiverr এ আপনার কোন কাজের দক্ষতাকে ক্লায়েন্ট দের প্রয়োজন ও চাহিদা অনুযায়ী প্রস্তুত করে দিয়ে অর্থের বিনিময়ে সেই কাজ বা সার্ভিস প্রদান করে থাকেন।

    বাংলাদেশের অনলাইন মার্কেট প্লেস গুলোর মধ্যে Fiverr হলো একটি ডিজিটাল সার্ভিস; যেখানে লক্ষ লক্ষ ফ্রিল্যান্সার গণ কাজ করে ইনকাম করে আসছেন। এটি একটি ফ্রিল্যান্সিং এর বিশাল মার্কেট প্লেস।

    যেখানে Seller গণ ক্লায়েন্ট দের কাছে নিজের চুক্তি ভিত্তিক কাজ বিক্রির মাধ্যমে আয় করে থাকেন। Fiverr Pro মার্কেট প্লেসে নিম্ন লিখিত কাজের ক্যাটাগরি দেওয়া থাকে:

    • Illustration Design
    • Marketing All
    • Development
    • Architecture
    • Writing
    • Business and Finance
    • Data and AI Generating

    Fiverr এ কিভাবে কাজ করে আয় করা যায়:

    এতে যে কাজ বা সার্ভিস দেওয়া হয় এটিকে সাধারণত গিগ বলা হয়। এই গিগ আপনার নির্দিষ্ট কাজের ধরণ। এতে বিভিন্ন ধরণের অফার দেওয়া হয়।

    ধরুন একটি কাজের জন্য আপনাকে যদি $১০ দেওয়া হয়; তাহলে মাসে ২০ টি কাজের জন্য আপনি পাবেন $১০×২০=২০০ (ডলার)। যা বাংলাদেশী মুদ্রায় দাঁড়ায় ১ মার্কিন ডলার সমান ১২৩.৭৮ টাকা হলে; ১২৩.৭৮×২০০=২৪৭৫৬ টাকা।

    যার যার সুবিধা মত কাজ বেছে নিয়ে Seller দের কাছ থেকে সম্পন্ন করে নেওয়া হয়। আর তার সাথে PayPal এর মাধ্যমে অর্থ পরিশোধিত করা হয়। কাজ ডেলিভারির পর উপার্জনের ডলার পরিশোধ করা হয়।

    সংক্ষেপে, বিষয়টি বোঝার জন্য নিম্নলিখিত সূত্রের আলোকে সহজেই বোঝানো হয়েছে:

    Fiverr Service=Skill + Gig + Client + Order + Delivery + Review + Earnings.

    2.Upwork (আপওয়ার্ক) এর সাহায্যে ইনকাম:

    Upwork গোটা বিশ্বের অনলাইন ফ্রিল্যান্সিং মার্কেট প্লেস গুলোর মধ্যে একটি অন্যতম ইনকাম সাইট। এখানে ফ্রিল্যান্সার গণ তাদের কর্মদক্ষতা ও অভিজ্ঞতা অনুযায়ী কাজ খুঁজে আবেদন করেন।

    এর অফিসিয়াল ওয়েব সাইটে যে সব ক্যাটাগরির কাজ পাওয়া যায় তার একটি তালিকা আপনাদের জ্ঞাতার্থে নিচে প্রদান করা হলো:

    •Digital Marketing  •Logo Design  •3D Mockup •Cartoon Style •Luxurious Design  •Graphic Design •Adobe Photoshop  •Adobe Illustrator •Cybersecurity Management   •Ethical Hacking Video Editing  •Social Media Marketing •Internet Marketing  •Marketing Strategy •Website Development •WordPress •Facebook Development •Content Writing •Email Marketing •Data Entry •SEO Expert •AI Generating

    এই প্লাটফর্মে এই কাজ গুলো ছাড়াও আপনাকে নিজের দক্ষতা, পারদর্শিতা অভিজ্ঞতা অনুযায়ী একাউন্ট তৈরি করতে হয়। প্রোফাইল সম্পূর্ণ ভাবে ফিল আপ করতে হবে। তাছাড়া পোর্টফোলিও এবং কাজের রেট উল্লেখ করে দিতে হবে।

    এখন আপনাকে কাজ খুঁজতে হবে। কাজ করার জন্য ক্লায়েন্টকে প্রস্তাব পাঠাতে হবে। ক্লায়েন্টকে সরাসরি সাক্ষাতে কথা বলতে হয়। প্রয়োজনে কন্ট্রাক্ট নম্বর দিতে হবে। কাজ সম্পন্ন করে পেমেন্ট পরিশোধ করে নেওয়া হয়।

    Upwork এর কি কি সুবিধা রয়েছে:

    • সমগ্র বিশ্বের ক্লায়েন্ট দের কাজ পাওয়া যায়
    • ঘরে বসেই পেসিভ ইনকাম করা সম্ভব
    • নানা বিধ কাজের সন্ধান পাওয়া যায়
    • Hourly ও Fixed-Price এ কাজ করতে পারেন
    • Upwork Payment Protection ব্যবস্থা দেন
    • ক্লায়েন্ট দের সাথে Relationship বৃদ্ধি পায়

    Upwork এর অসুবিধাও রয়েছে:

    • প্রথম প্রথম কাজ পাওয়া কঠিন হয়
    • এখানে কম্পিটিশন বেশি
    • কাজের প্রস্তাব পাঠাতে কানেক্ট লাগে
    • ফ্রিল্যান্সার দের সার্ভিস চার্জ দিতে হয়
    • ক্লায়েন্ট জোগাড় করা খুব কঠিন
    • প্রোফাইল সম্পন্ন করতে অপেক্ষা করতে হয়
    • পোর্টফোলিও তৈরিতে সময় লাগে
    • কাজ পেতে ফ্লুয়েন্টলি English জানার প্রয়োজন

    Upwork এ প্রতারণা থেকে বাঁচতে যা যা করণীয়:

    • অপরিচিত ক্লায়েন্টকে Password ও OTP না দেওয়া
    • Scam Software ডাউনলোড না করা
    • Upwork কাজের নিয়মত পেমেন্ট নেওয়া
    • অতি রঞ্জিত ব্যক্তিগত তথ্য প্রদান করা
    • ক্লায়েন্ট দের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ গ্রহণ
    • আগে কাজ তারপর টাকা নেওয়া

    3.ফ্রিল্যান্সিং(Freelancing) ও ফ্রিল্যান্সার(Freelancer) বলতে কি বুঝায়:

    ফ্রিল্যান্সিং শব্দের আবিধানিক অর্থ হলো মুক্ত বা স্বাধীন পেশা। আর যিনি অন্যের অধিনে মুক্ত বা স্বাধীন ভাবে অর্থ চুক্তিতে কাজ করেন; তিনি হলেন ফ্রিল্যান্সার। এখানে বিভিন্ন রকমের প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে বিড করে কাজ সমাপ্ত করতে হয়।

    Freelancing করে ইনকাম করা যায়:

    Freelancing প্লাটফর্মে কাজ করতে গেলে ২ টি বিষয় সব সময় মাথায় রাখতে হয়।

    একটি হলো-বিডিং অর্থাৎ ক্লায়েন্ট গণের কাজের বিবরণের দেওয়া বর্ণনা দেখে ; কাজ করার জন্য আবেদন বা প্রস্তাব পাঠানো হয়।

    আর একটি হলো- কনটেস্ট বা প্রতিযোগিতামূলক অর্থাৎ এখানে ক্লায়েন্ট গণের আদেশ বা নির্দেশ মত কাজ দ্রুত জমা দিয়ে প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া।

    যে সমস্ত দক্ষতা দিয়ে কাজ করে ইনকাম করা যায় সেগুলোর তালিকা নিম্নে দেওয়া হলো:

    •Logo Design •Professional Graphic Design •Banner Design •Landing Pages •Fashion Design •Creative Design •Embroidery •Textile Design •Computerized Embroidery •T-Shirt Design •Video Expert •TikTok •Live Streaming •Copywriting •Proofreading •Ghostwriting •Article Writing •Content Writing •Adobe Illustrator •SEO Writing •Microsoft Word •Photoshop

    4.Influencer Marketing (ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং) এর মাধ্যমে টাকা আয়:

    ইহা হলো এমন একটি ডিজিটাল মার্কেটিং পদ্ধতি যা কোন ব্র্যান্ড তাদের প্রোডাক্ট ,পণ্য ,সেবা বা প্রচারণা ক্রেতার কাছে পৌঁছে দেয়।

    আর এজন্য সামাজিক মাধ্যমের কোন বিখ্যাত ও সুপরিচিত ব্যক্তি, কনটেন্ট ক্রিয়েটর বা ইনফ্লুয়েন্সার এর জনপ্রিয়তাকে ব্যবহার করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কাজে লাগায়;এভাবে কাজে লাগিয়ে মার্কেটিং করাকে Influencer Marketing বলা হয়।

    ইনফ্লুয়েন্সারকে চার শ্রেণিতে ভাগ করা হয়:

    Nano Influencer:

    যাদের অল্প সংখ্যক নির্দিষ্ট ঘনিষ্ঠ অনুসারী থাকে

    Micro Influencer:

    যাদের নির্দিষ্ট নিশ এর উপর মাঝারি সংখ্যক অনুসারী আছেন।

    Mecro Influencer:

    যাদের বড় সংখ্যক পরিমাণের অনুসারী থাকেন।

    Mega বা Celebrity Influencer:

    অনেক বড় ধরণের জনপ্রিয় সেলিব্রিটি, মডেল তারকা।

    তাঁরা ব্র্যান্ডের কোন পণ্য, সেবা, প্রোডাক্ট এর বিজ্ঞাপন, প্রচারণা, এম্বাসেডর হিসেবে নিজেকে জাহির করেন। আর এভাবেই ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং চলমান থাকে।

    5.অনলাইন শপ/ড্রপশিপিং/E-commerce Business সাইটের সাহায্যে ইনকাম:

    অনলাইন শপ/ড্রপশিপিং/E-commerce Business বলতে ইন্টারনেটের মাধ্যমে ব্যবসা করাকে বুঝায়। এখানে নিজের তৈরি প্রোডাক্ট,পণ্য, সেবা বা সার্ভিস অনলাইন স্টোর, ড্রপশিপিং এবং E-commerce এর মাধ্যমে ক্রেতা বা ক্লায়েন্ট দের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়।

    E-commerce Business System:

    এই সাইটে বিভিন্ন ভাবে পণ্য বা সেবা ক্লায়েন্ট বা ক্রেতার কাছে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

    B2C পদ্ধতিতে:

    যে কোন ব্যবসা থেকে সরাসরি পণ্য বিক্রি করা হয়।

    B2B পদ্ধতিতে:

    একটি ব্যবসা অন্য একটি ব্যবসার কাছে প্রোডাক্ট বিক্রি করা।

    C2C পদ্ধতিতে:

    যে কোন ব্যক্তি অন্য একজন ব্যক্তির কাছে প্রোডাক্ট বিক্রি করে।

    D2C পদ্ধতিতে:

    কোম্পানির মালিক হয়ে নিজেই পণ্য ক্লায়েন্ট দের কাছে বিক্রি করা যায়।

    উপরের এই পদ্ধতি গুলো অবলম্বল করে E-book, course, template, Apps, software ইত্যাদি ডিজিটাল প্রোডাক্ট ক্লায়েন দের কাছে বিক্রি করে প্রতিদিন ইনকাম করা যায়।

    এই পদ্ধতি অবলম্বন করে প্রথমে প্রোডাক্ট বা পণ্য নির্বাচন করা হয়। তারপর পণ্যটি কোথা থেকে সংগ্রহ করা যাবে তা দেখা হয়।

    এজন্য অনলাইন স্টোর নামে ফেসবুকে, হোয়াটস অ্যাপে, ইন্সটাগ্রামে দোকান খুলে তাতে বিক্রির জন্য পণ্যটির ছবি, মূল্য, গুণাগুণ ও ডিটেল্স দেওয়া হয়।

    আর এতে পেমেন্ট গ্রহণ সিস্টেম বা ক্যাশ অন ডেলিভারি এর ব্যবস্থা অবশ্যই রাখতে হয়। আর ক্রেতা দের অর্ডার গ্রহণ করে তা নিশ্চিত করা হয়।

    অনেক সময় কাস্টমার দের পণ্য ক্রয়ের সময় এর মান,পরিবর্তন ও টাকা রিটার্ণ দেওয়ার অপশন সাইটে রাখতে হবে।

    বৈধতা ও অনুমোদন:

    আপনার অনলাইন শপ বা দোকান যেন Authentic হয়। তার মানে এই যে, আপনার দোকানে যেন শতভাগ খাঁটি, আসল ও বৈধ প্রোডাক্ট বিক্রি হয়।

    তাছাড়া এই প্রোডাক্টের মূল্য যেন সঠিক হয়। এর টেস্ট বা পরীক্ষা যেন প্রমাণিত। আর এটি বিএসটিআই কর্তৃক লাইসেন্স প্রাপ্ত ও অনুমোদিত হয়।

    6.Etsy (ইটসি) sheller হয়ে ইনকাম:

    অনলাইন মার্কেট প্লেস গুলোর মধ্যে এটি একটি অন্যতম আন্তর্জাতিক মানের ব্যবসায়িক প্লাটফর্ম। এজন্য আপনাকে প্রথমেই এই সাইটে একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করে Etsy Shop নামে একটি অনলাইন Shop খুলতে হবে।

    এতে আপনাকে দোকান সম্পর্কে সব তথ্য ও ইনফরমেশন এড করে দিতে হবে। এতে পণ্যের ডিটেল্স বিবরণ দিতে হবে। প্রোডাক্ট বা পণ্যের ক্যাটাগরি ও নাম খুঁজে পেতে কীওয়ার্ড অপশন ব্যবহার করবেন। মূল্য তালিকা ও পরিশোধ পদ্ধতি অবশ্যই যেন দেওয়া থাকে।

    আপনি এখানে Etsy তে যে যে ক্যাটাগরি নিয়ে কাজ করা যায় তা নিচে দেওয়া হলো:

    •Home and Living •Art and Collectibles •Craft and Tools •Assessories •Bangs and Purses •Bath and Beauty •Books •Movies and Music •Electronics •Juwelry Paper and Party Supplies •Pet Supplies •Shoes •Toys and Games •Weddings Kids and Babies •Gift

    এই সাইটে উপরোক্ত ক্যাটাগরির লিস্টিং ও মূল্য তালিকা তৈরি করে দিয়ে বিক্রির জন্য ক্লায়েন্ট দের কাছে প্রস্তাব পাঠাতে হবে। তবে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, জার্মানি ইত্যাদি দেশকে টার্গেট করে অনলাইন আয় করা যায়।

    7.অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে ইনকাম:

    এটি এমন একটি অনলাইন ভিত্তিক ইনকামিং সিস্টেম যেখানে আপনি কোন কোম্পানি বা ব্যান্ডের পণ্য বা পরিসেবার লিঙ্ক প্রচার করে কমিশন বাবদ ডলার ইনকাম করা করতে পারেন।

    যদি আপনি পণ্যের ট্র্যাকিং লিঙ্ক কোন সাইটে যেমন-ফেসবুক, লিঙ্কডইন, টুইটার, ইন্সটাগ্রাম, হোয়াটস অ্যাপ, কোরা ,টেলিগ্রাম, পিন্টারেস্ট ইত্যাদি সাইটে শেয়ার করেন ; তখন ক্রেতা ঐ লিঙ্কের মাধ্যমে তার প্রয়োজনীয় দ্রব্যেটি ক্রয় করলে কমিশন পান।

    নিচে যে যে নির্মাতা বা কোম্পানির পণ্য বা পরিসেবার ট্র্যাকিং লিঙ্ক এর মাধ্যমে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয় করা যায় সেগুলো নিচে দেওয়া হলো:

    •Amazon Associate •Daraz Affiliate program •Alibaba Affiliate Program •Rocomari Affiliate Program •Canva Affiliate Program •Kinsta Affiliate Program •Shopify Affiliate Program •Hosting and Theme Affiliate Program •Namecheap Affiliate •Hostinger Affiliate •GoDaddy Affiliate •Elementor Affiliate •Adobe Affiliate Program

    উপরের কোম্পানি গুলো বিভিন্ন কনভার্সন এর লক্ষ্য করে ডলার প্রদান করে থাকেন । তাঁরা আপনাকে তিন ভাবে অর্থ ধরে দেন। যেমন:

    PPS (Pay Per Sell):

    যদি ক্রেতা কোন পণ্য ক্রয় করেন তখন সেই পণ্যের উপর একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ কমিশন পান।

    PPL(Pay Per Lead):

    যখন ক্রেতা কোন পণ্য ক্রয় করার জন্য অ্যাফিলিয়েট সাইটে সাইন আপ করে একাউন্ট করেন এবং যাবতীয় তথ্যাদি পূরণ করেন তখন আয় করেন।

    PPC(Pay Per Click):

    অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার দের দেওয়া কোন পণ্যের ট্র্যাকিং লিঙ্কে যদি কোন ক্লায়েন্ট ক্লিক করেন তখন তার ইনকাম আসে।

    Referral Link:

    অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার দের রেফার করা লিঙ্কের মাধ্যমেও দ্রব্যটি ক্রয় করলে আয় হয়।

    Alt text


    8.ব্লগিং ও কনটেন্ট ক্রিয়েট করে আয়:

    আজকাল ব্লগার গণ ইউনিক ও মানসম্মত কন্টেন্ট লিখে গুগল এডসেন্স এপ্রুভাল নিয়ে অয় করে আসছেন। তবে যে কোন একটি নির্দিষ্ট নিশ (Niche) ও কিওয়ার্ড যে কোন পোস্ট এর সাথে যুক্ত করতে হবে।

    আপনি আপনার পোস্টে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের ট্র্যাকিং লিঙ্ক ও কোম্পানি বা ব্র্যান্ডের স্পন্সরশিপের মাধ্যমেও ইনকাম করতে পারেন।

    যে যে ক্যাটাগরির উপর অনায়াসেই দ্রুত এডসেন্স এপ্রুভাল পাওয়া যায় তা নিম্নে বর্ণিত হলো:

    •প্রযুক্তি •ইনকাম •মিউজিক •মুভি •রেসিপি •ভ্রমণ •শিক্ষা

    কিভাবে ব্লগ সাইটে আয় করবেন:

    গুগল এডসেন্স কর্তূক নির্ধারিত ডিসপ্লে, রিস্পনসিভ ও অটো এড লাগিয়ে এডসেন্স এপ্রুভাল করিয়ে টাকা আয় করা সম্ভব।

    ব্লগিং করে অ্যাফিলিয়েট ট্র্যাকিং লিঙ্কের সাহায্যে কোন পণ্য বিক্রি করে এবং এড শো করেও আয় করা যায়।

    আপনি এডসেন্স এর Ad Show এর মত Ezoic, Adsterra, Adcash বিজ্ঞাপন সাইট এর মাধ্যমে এড শো করেও ইনকাম করতে পারেন। এভাবে ব্লগিং ও কন্টেন্ট লিখে অনায়াসেই আয় করা সম্ভব।

    9.ইউটিউব (YouTube) চ্যানেল এর মাধ্যমে আয়:

    YouTube গুগল কোম্পানির মালিকানাধীন সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি অনলাইন ভিডিও শেয়ারিং ও স্ট্রিমিং ভিডিও প্লাটফর্ম। ইহা ২০০৫ সালে আবিষ্কৃত হওয়ার পর গুগল ২০০৬ সালে তা কিনে নেন।

    এতে ইউটিউব চ্যানেল এর মালিক গণ তাঁদের ভিডিও আপলোড দেন। এখানে ইউটিউব শর্টস নামে ভিডিও আপলোড দিয়ে চ্যানেলকে মনিটাইজ করে গুগল এডসেন্স এর মাধ্যমে ইনকাম করা যায়।

    এখানে ইউজার গণ ফ্রিতে ভিডিও দেখেন, ডাউনলোড করেন, লাইক , শেয়ার ও কমেন্ট করেন।

    এর অফিসিয়াল ভিডিও সাইটে আপনি Music, Sports, Games, Movie, News, Website সম্পর্কিত ভিডিও, Live, AI, Technology, Recent Updates ইত্যাদি ভিডিও দেখতে পাবেন।

    ইউটিউব চ্যানেল মনিটাইজেশনের নিয়ম ও শর্ত:

    এই চ্যানেল মনিটাইজেশনের জন্য অবশ্যই ১০০০ সাবস্ক্রাইবার থাকতে হবে। ইউটিউব ভিডিও এক বছর বা ১২ মাসে ৪০০০ ঘণ্টা ওয়াচটাইম পূর্ণ করতে হবে।

    আর ইউটিউব শর্টস এর ক্ষেত্রে ৩ মাসে বা ৯০ দিনে ১ কোটি ভিউ লাগবে ; আপনাকে অবশ্যই 2-Step Verification করতে হবে এবং ইউটিউব এর Community Guideline Follow করতে হবে।

    এরপর এডসেন্স একাউন্টের সাথে যুক্ত করে চ্যানেল মনিটাইজেশনের জন্য আবেদন করতে হবে। এভাবে ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে ভিডিও ও শর্টস ভিডিও বানিয়ে গুগল এডসেন্সের মাধ্যমে ইনকাম করা সম্ভব।

    10.মাইক্রোজব করে টাকা আয়:

    মাইক্রোজব এর মাধ্যমে ছোট ছোট জব মোবাইল, ট্যাবলেট, ল্যাপটপ বা কম্পিউটার ইত্যাদিতে কাজ করে সমাপ্ত হলে ইনকাম করা যায়। এখানে কোন পূর্ব অভিজ্ঞতা, প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রি ও সনদের প্রয়োজন হয় না।

    মাইক্রোজবে বিভিন্ন ধরণের কাজ করে আর্থিক ভাবে ইনকাম করা যায়। নিচে এই রকমের কাজ সমূহ উল্লেখ করা হলো:

    •ClickerPaid •ClickToEarn •CapitaleWork •ClickWorker •Microworkers  •Spoutgigs •Swagbucks •InboxDollars •MyPoints •ySense •Prolific •Survey Junkie •Google Opinion Rewards

    উপরের Microjob সাইট গুলোতে সার্ভে বা জরিপ, ডেটা এন্ট্রি, App Download, ভিডিও শো এবং Ad Show.

    সাবধানতা ও সতর্কতা:

    এই উপরের সাইট গুলোতে কাজ করার সময় অবশ্যই ভুয়া সাইট সম্পর্কে সচেতন থাকা প্রয়োজন। টাকা চাইলেই পেইড দিবেন না। সাধারণত এই সাইট গুলোতে ফ্রিতে কাজ করে আয় করা যায়।

    11.সিপিএ (CPA) মার্কেটিং করে ইনকাম:

    সিপিএ (CPA) মার্কেটিং এর পূর্ণ নাম Cost Per Action বা Cost Per Acquisition . CPA Marketing বলতে আপনার কাজের পারফরম্যান্স অনুযায়ী অনলাইন মার্কেটিং সিস্টেমকে বোঝানো হয়। এখানে ব্যবহার কারী বা ইউজার গণ আপনার অফারে সুনির্দিষ্ট কোন অ্যাকশন সম্পন্ন করলে কমিশন লাভ করেন। আর তখনই আপনি  ইনকাম করেন।

    আপনারা বাংলাদেশের হয়েও যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ইত্যাদি দেশ থেকে রেভিনিউ ইনকাম করতে পারবেন।

    এই সিপিএ মার্কেটিং সাইটে আপনি যে যে ক্যাটাগরির কাজ করে আয় করতে পারবেন।

    ক্যাটাগরি গুলো নিম্নরূপ:

    • APP Install
    • E-mail Submit
    • CC Submit
    • Pin Submit

    সোস্যাল মিডিয়া মার্কেটিং সম্পর্কে:

    আপনারা বিভিন্ন ধরনের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যেমন-ফেসবুক, ব্লগ, ইউটিউব, টুইটার, লিঙ্কডইন, পিন্টারেস্ট, টেলিগ্রাম, Yofan ইত্যাদিতে পোস্ট করে ইনকাম বাড়িয়ে নিতে পারেন।

    আপনারা নিচে এই তিনটি CPA Marketing দেখতে পেলেও সবচেয়ে বেশি ট্রাফিক ও ইনকাম দেয় Affmine এ। তাই এই সাইটে কাজ করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

    • CPAGrip
    • CPAlead
    • Affmine

    এখানে উপরের সিপিএ মার্কেটিং গুলোর মধ্যে আপনাকে সবচেয়ে বেশি ট্রাফিক ও রেভিনিউ দেয় Affmine. তাই অন্য কোথাও না হাতরিয়ে ইনকামের জন্য শুধু Affmine এর মাধ্যমে সিপিএ মার্কেটিং করে প্রতিদিন ডলার ইনকাম করুন।

    12.স্টক ফটোগ্রাফি এবং ভিডিও এর মাধ্যমে আয়:

    অনলাইন আয় করা যায় এমন অনেক গুলো কনট্রিবিউটর সাইট রয়েছে যেগুলো দ্বারা পেসিভ ইনকাম করা সম্ভব। এখানে ছবি বা image , ভিডিও, vector, 3d, লাইভ, music, sound effects, illustrators ইত্যাদি ডাউনলোড করলে সেই সাইট সমূহ আপনার ডাউনলোড কৃত কাজের রয়্যালটি লাইসেন্স প্রদান করে।

    আপনি সেগুলো বিক্রি হলে কমিশন এর মাধ্যমে ডলার আয় করতে পারেন। টপ লেভেলের এই সাইট গুলোর নাম ও ক্যাটাগরি সহ তুলে ধরা হয়েছে:

    1. Shutterstock Contributor
    2. Adobe Stock
    3. Freepik বা magnific
    4. Alamy

    1.Shutterstock Contributor:

    Photos, Vector, 3D , Illustrations, Video, Music, Sound Effects

    2.Adobe Stock:

    Audio, Images, Videos, Audios, Template, 3D

    3.Freepik বা magnafic:

    Vectors, photos, Illustrations, Templates, PSDs, Mockups, Videos , Icons, Sound Effects, Musics, 3D Models , Fonts

    4.Alamy:

    Images, Photographs, Vectors, Illustrations, 360° images, Videos, Live news, Live news

    তবে ভিডিও ক্লিপ বা স্টক এবং ভিডিও ফুটেজ এর চাহিদা ও মূল্য মান ছবি বা ইমেজের তুলনায় অনেক বেশি।

    13.কোডিং (Coading) করে আয়:

    কম্পিউটারকে নিজের ভাষায় বোঝানোর জন্য যে মাধ্যম ব্যবহৃত হয় তা হলো এই কোডিং। এর মাধ্যমে বিশেষ কতগুলো প্রোগ্রামিং ভাষা কম্পিউটারকে নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য নির্দেশ দেয়। কোডিং ওয়েবসাইট, অ্যাপ, সফটওয়্যার ও গেম তৈরির কাজে ব্যবহার করা হয়।

    ওয়েবসাইট তৈরিতে কোডিং এর ব্যবহার:

    সাধারণত ওয়েবসাইট ডেভেলপার গণ HTML, CSS ও JavaScript এর বিভিন্ন কোড দিয়ে সহজেই একটি পূর্ণাঙ্গ ওয়েবসাইট প্রকাশ করেন।

    সফটওয়্যার ও অ্যাপ তৈরিতে কোডিং এর ব্যবহার:

    আমরা Google Play Store ও App Store এ নানা ক্যাটাগরির সফটওয়্যার ও অ্যাপ ডাউনলোড করে ইনস্টল করি। এই ইন্সটল কৃত সফটওয়্যার ও অ্যাপ সমূহ কোডিং এর সাহায্যে তৈরি করা হয়।

    গেমের নকশা ও ডিজাইন তৈরিতে কোডিং এর ব্যবহার:

    আমরা ইউটিউবে , ফেসবুকে ও ভিডিও ওয়েবসাইটে অনেক ভিডিও স্ট্রিমিং গেম দেখতে পাই। এগুলো Game Developer গণ কোডিং এর সাহায্যে তৈরি করেন। গেমগুলোর কয়েক টি আপনাদের ব্যবহারে তুলে ধরা হলো:

    Minecraft, Roblox এবং Screeps

    তবে আপনি ইচ্ছে করলে বুঝে প্রাথমিক ভাবে এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে কোডিং শেখা শুরু করতে পারেন। যা আপনার কাছে আয় করার জন্য অনেক কাজে লাগবে।

    শেষ কথা:

    বর্তমানে পৃথিবী এখন বহুল প্রযুক্তি ও তথ্য নির্ভরশীল। তাছাড়া বিজ্ঞানের প্রতিটি ক্ষেত্রে কাজের হিসাব-নিকাশ এখন ডিজিটাল। আমার এই পোস্টের টেক্সট গুলো এমন ভাবে লিখিত হয়েছে যে, মনে হয় সকল কাজ গুলো করে ইনকাম করতে শুরু করি। আসলে তা কখনোই করা সম্ভব না। নিচে আবারো কাজ গুলোর তালিকা প্রদত্ত হলো:

    Fiverr, Upwork, Freelancer , Influencer Marketing, অনলাইন শপ/ ড্রপ শিপিং/E-commerce Business, Etsy, Affiliate Marketing , ব্লগিং ও কনটেন্ট ক্রিয়েশন, ইউটিউব (YouTube) চ্যানেল , মাইক্রোজব (Microjob) , সিপিএ (CPA) মার্কেটিং , Stock Photography and Video এবং কোডিং ।

    আমরা সাধারণত সব বিষয়ে সমান পারদর্শী ও দক্ষ নই। তাছাড়া এই প্রতিটি ইনকাম সাইটের কাজ করাও সহজ নয়া।

    তাই আপনার ইচ্ছে ও খুশি মত যে কোন দুটি বা একটি কাজ নিয়ে ইনকাম শুরু করুন। তবে কাজ শুরু করার সময় অবশ্যই মনের একাগ্রতা ও ধৈর্য্য ধরে কাজ করতে হবে। পেমেন্টের নীতিমালা ও ওয়েবসাইট গাইড লাইন গুলো অবশ্যই মানতে হবে।

    কোন প্রতারণা মূলক কাজ ও প্রকাশক চক্র থেকে সব সময় সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে। আপনি মনে রাখবেন এই ইনকাম সাইট গুলোতে কোন পেমেন্ট দিয়ে কাজ করতে হয় না । তাই আপনি এই কথাটি মাথায় রেখে ইনকাম কাজ চালিয়ে যান।

    FAQ:

    Q:Fiverr, Upwork, Freelancer, Affiliate Marketing, CpaMarketing, Blogging, Youtubing, Stock Photography and Video, Microjob দ্বারা কি ইনকাম করা সম্ভব?

    A:হ্যাঁ,অবশ্যই সম্ভব। তবে চেষ্টা করুন না পারলে আমাদের সাহায্য নিন।

    Q:এ সমস্ত কাজের উৎস গুলো থেকে পেসিভ বা চিরস্থায়ী আয় করা সম্ভব?

    A:হ্যাঁ অবশ্যই। তবে Fiverr, Upwork, Freelancer, Affiliate Marketing, Blogging, Youtubing থেকে চিরস্থায়ী আয় করা সম্ভব।

    Q:এই উৎস বা সাইট গুলো কি ফ্রি এবং বৈধ?

    A:হ্যাঁ, উপসংহারে বলা হয়েছে এই সাইট সমূহে ফ্রিতে আয় করা যায় এবং সাইট গুলোর বৈধতা আছে।

    আরো পড়ুন

    Post a Comment (0)
    Previous Post Next Post